Showing 25–36 of 77 results
Filter by price
Top rated products
-
আইনস্টাইন
500.00৳Original price was: 500.00৳ .375.00৳ Current price is: 375.00৳ . -
রম্যশ্রী-৫
200.00৳Original price was: 200.00৳ .140.00৳ Current price is: 140.00৳ . -
রাইফেল রোটি আওরাত
300.00৳Original price was: 300.00৳ .225.00৳ Current price is: 225.00৳ .
করীমা-ই-সাদী
করীমা-ই-সাদী
লেখক : কাজী আকরাম হোসেন
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : কবিতা
করীমা-ই-সা’দী কাজী আকরম হোসেন লিখিত শেখ সা’দীর কবিতা পুস্তকের একখানা সাবলীল তরজমা। এ পুস্তকখানা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ৩৫-এ মির্জাপুর স্ট্রীট, কলিকাতা-৯ স্বয়ং কাজী আকরম হোসেনর দ্বারা। এ মূল্যবান পুস্তকখানা পুনরায় মুদ্রিত হতে চলেছে। এক কথা ইতিহাস খ্যাত যে এদেশে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকে পলাশীতে মুসলিম শাসনের অবসানের পরেও ফার্সি ছিল এদেশের রাষ্ট্রভাষা। এজন্য এদেশের সকল লোকের মধ্যেই ফার্সি ভাষার ও সাহিত্যের চর্চা ছিল। ফেরদৌসী, রুমী, হাফিজ, সা’দী প্রমূখ বিখ্যাত কবিগণের কাব্যের আবৃত্তি ও আলোচনা ছিল শিক্ষিত মহলের জ্ঞানের এক পরিচয়। শেখ সা’দীর গুলিস্তান ও বুস্তান সংস্কৃতি সেবীদের দেহলিজে দিবা-রাত্রই আলোচিত হত। তাকে এ দেশীয় মুসলিম সমাজের লোকেরা তাদের আপনাদের প্রাণের কবি বলেই গণ্য করতো। তার সম্বন্ধে কত অভিনব গল্প-গুজব এদেশে প্রচলিত ছিল ।
সে কবির কয়েকটা অমর বয়েতের তরজমা করেছেন কাজী আকরম হোসেন। তিনি নিজে ছিলেন ফার্সি ভাষায় বিশেষ দক্ষ এবং কবি হিসাবে খ্যাত। তার হাতে এ বয়েতগুলো চমৎকার ভাবে বাংলা ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি তার জীবনকালে ফার্সি ব্যতীত অপরাপর ভাষার কবিগণের কাব্য তরজমা করে গুণীজনের প্রশংসা লাভ করে ছিলেন। কবিতার একটা বিশেষ ধাত এই যে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরিত হলে কিছুটা আড়ষ্ট হয়ে যায়। তবে সৃষ্টিকারী লোকের কুশলতায়ই সে আড়ষ্টতা লোপ পায়। কাজী আকরম হোসেন ছিলেন একজন অসাধারণ শিল্পী এজন্য তার তরজমা গুলোতে রয়েছে এক অসাধারণ সাবলীলতা।
কালকেতু উপাখ্যান
কালকেতু উপাখ্যান
লেখক : কবিকঙ্কন মুকুন্দরম চক্রবর্তী , মুহম্মদ আবদুল হাই (সম্পাদক) , আনোয়ার পাশা (সম্পাদক)
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : চিরায়ত কাব্য
মধ্যযুগে ষোড়শ শতাব্দীর (১৫৪০? ১৬০০?) কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর মতো এতবড় বাস্তবধর্মী জীবনবাদী কবি আর কেউ জন্মগ্রহণ করেন নি মঙ্গলকাব্যের দেবনির্ভর গতানুগতিক বিষয়বস্তুর ভেতর দিয়ে পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীর বাংলাদেশ ও নাম গোত্রহীন সাধারণ বাঙালিদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের যে পরিচয় তিনি তুলে ধরেছেন, সমগ্র মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে তার দৃষ্টান্ত বিরল। এ কারণে মুখ্যতঃ কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর প্রতিভার সঙ্গে এবং গৌণতঃ মঙ্গল কাব্যের সঙ্গে আমাদের ছাত্রদের পরিচিত করার জন্যে তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের ‘কালকেতু’ অংশটি আমাদের অনার্সের পাঠ্য- তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অনিবার্য কারণে বাংলাদেশে এসব কাব্য এখন দুষ্প্রাপ্য । আমাদের ছাত্রদের পাঠ্য তালিকাভুক্ত এসব বইয়ের অভাব পূরণ উদ্দেশ্যে কবিকঙ্কণের চণ্ডী মঙ্গলকাব্যের ‘কালকেতু উপাখ্যান’ অংশটি সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হল ।
কুহেলিকা
কুহেলিকা
লেখক : কাজী নজরুল ইসলাম
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : উপন্যাস
“কুহেলিকা”কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি মূলত তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত একটি উপন্যাস। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র “জাহাঙ্গীর”, যে কি না একজন বিপ্লবী যুবক। তার মাধ্যমে লেখক সমাজনীতি, রাজনীতি ও ধর্মনীতির নানান দিক তুলে ধরেছেন। “কুহেলিকা” উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এটি শুধু একটি উপন্যাস নয়, বরং তৎকালীন সময়ের দলিলও বটে।
কোয়ান্টাম রাজ্যের গল্প
কোয়ান্টাম রাজ্যের গল্প
লেখক : মুহাম্মদ শামীমুজ্জামান
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : বিজ্ঞান
পৃষ্ঠা : 120, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2025
“কোয়ান্টাম রাজ্যের গল্প” কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জটিল বিষয়গুলোকে সহজ ভাষায় এবং গল্পের আঙ্গিকে উপস্থাপন করে পাঠকদের বিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্তে নিয়ে যাওয়ার এক অনন্য প্রচেষ্টা। বইটি পাঠকদের ক্ষুদ্রতম কণার রহস্যময় জগতে এক মনোমুগ্ধকর যাত্রায় নিয়ে যাবে।
বইটির সূচনা হয়েছে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ধারণা এবং এর দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্ক ব্যাখ্যা দিয়ে। এরপর পাঠককে পরমাণুর গঠন, ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন, এবং কোয়ার্কের কার্যকারিতা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। আলো ও শক্তির সম্পর্ক এবং আলোর তরঙ্গ ও কণার দ্বৈত প্রকৃতি সহজ উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিস্ময়কর ঘটনা যেমন স্পিন, ইন্টারফেরেন্স, কোয়ান্টাম কনফাইনমেন্ট, হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি, এবং কোয়ান্টাম সুপারপজিশনের মতো ধারণাগুলোকে বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে সহজবোধ্য করে তোলা হয়েছে। একইসঙ্গে কোয়ান্টাম টানেলিং এবং এনট্যাঙ্গেলমেন্টের মতো রহস্যময় ঘটনাগুলো পাঠকদের মনে কৌতূহল ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করবে।
বইটির আরেকটি আকর্ষণীয় দিক হলো ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা। এখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার, কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন, এবং কোয়ান্টাম ইন্টারনেটের সম্ভাবনা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। পরিশিষ্ট অংশে কোয়ান্টাম বিপ্লবের পথিকৃৎ বিজ্ঞানীদের গল্প এবং বাস্তব জীবনে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগ সম্পর্কে বিশদ আলোচনা রয়েছে।
বইটি শুধু বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোর প্রতি কৌতূহল জাগিয়ে তুলবে না, বরং কিশোর-তরুণদের বিজ্ঞানমুখী করে তোলার এক মূল্যবান মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। “কোয়ান্টাম রাজ্যের গল্প” এমন এক বই, যা বিজ্ঞানের জগতে প্রবেশের জন্য সকল বয়সের পাঠকদের অনুপ্রাণিত করবে।
গ্রীক উপাখ্যান
গ্রীক উপাখ্যান
লেখক : মোবাশ্বের আলী
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : গ্রীক পুরাণের গল্প কাহিনী
গ্রীক পুরাণের গল্প কাহিনী (Greek Mythology) বিশ্ব সাহিত্যের এক অপূর্ব সৃষ্টি, এই পুরাণের কাহিনী যা’ দেব-দেবতার ক্ষোভ, খেয়াল আর মানুষের ভাগ্যনিয়তি নিয়ে লেখা। তবে এগুলো ধর্ম বা ধর্মগ্রন্থের চেয়েও পুরানো আর সেজন্যই এগুলো প্যাগান (Pagan) ধর্মী এ পুরাণ কাহিনীর বর্ণনায় ঈশ্বরবাদ (deism) নেই, আছে বাহু বা একাধিক দেব-দেবতার (polytheism) বিচিত্র কর্মকাণ্ডও খেয়ালীপনা। । এই দেব-দেবতার লীলাখেলায় মানুষের রথচক্রের নির্মম পীড়নে জীবনের যে পরিণতি তা আজকের দিনের মানুষকেও না ভাবিয়ে পারে না। নিয়তির বিধান থেকে মানুষের রেহাই নেই-এটাই বারবার এই কাহিনীগুলো বলতে চায়। সেই প্রাচীন মানুষগুলোর নিয়তিবাদ (Fatalism) এর বিশ্বাসে তৈরি হয়েছে দেব-দেবীর মূর্তিগুলো-এক এক দেব-দেবীর এক এক কর্মশক্তি ।
গ্রীক ট্র্যাজেডি
গ্রীক ট্র্যাজেডি
লেখক : মোবাশ্বের আলী
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : সাহিত্য সমালোচনা বিষয়ক প্রবন্ধ
প্রাচীন গ্রীক সাহিত্য একদিকে যেমন চমকপ্রদ ও বিস্ময়কর, অপরদিকে তেমনি বিপুল বৈভবের অধিকারী। নাটক রচনায় গ্রীক নাট্যকাররা প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। রচনার নৈপুণ্যে হয়েছেন চিরভাস্বর। বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ধারা সৃষ্টির জন্য হয়েছেন শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার। তাদেরই কয়েকজন ট্র্যাজেডি রচয়িতার নাটকের বিষয়বস্তু, তাদের ভাবনার বৈশিষ্ট্য, তাদের অনন্যসাধারণ নৈপুণ্যের নৈবেদ্য নিয়ে প্রফেসর মােবাশ্বের আলী উপস্থাপন করেছেন গ্রীক ট্র্যাজেডি। আবেগ ও যুক্তি, তথ্য ও তত্ত্ব ইতিহাস এবং দর্শন সম্পৃক্ত রচনায় সাহিত্যের শৈল্পিক নিদর্শন ‘গ্রীক ট্র্যাজেডির রচনা করতে গিয়ে লেখক কেবল ট্র্যাজেডির মধ্যে আবদ্ধ থাকেননি-গ্রীসের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, সমাজ ও রাজনীতি এমনকি দর্শনের নিগূঢ় তত্ত্বও তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ। ট্র্যাজেডির উপর আলােচনা করতে গিয়ে তাঁর এই প্রবন্ধ সম্ভার পরিণত হয়েছে বিশাল এক জ্ঞানকোষে।
চর্যাগীতিকা
চর্যাগীতিকা
লেখক: আনোয়ার পাশা
লেখক: মোহাম্মদ আবদুল হাই
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : চর্যাপদ
“চর্যাগীতিকা” মূলত মুহম্মদ আবদুল হাই এবং আনোয়ার পাশার সম্পাদনায় “চর্যাপদের ইতিহাস ও সমালোচনা। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের একটি প্রাচীন গ্রন্থ । এটি একটি বিশেষ ধরনের বৌদ্ধ ধর্মীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ৮ম-১২শতাব্দী বাংলার তান্ত্রিক বৌদ্ধ সাধকদের জীবন এবং সাধনাকে নিয়ে রচিত।
চ্যাম্পিয়ন ইন সেলসম্যানশীপ
চ্যাম্পিয়ন ইন সেলসম্যানশীপ
লেখক : নিজাম আকন্দ
প্রকাশনী : ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : মার্কেটিং ও সেলিং
চ্যাম্পিয়ন ইন সেলসম্যানশীপ বইতে বিক্রয় পেশার বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা ও কেস স্টাডি তুলে ধরা হলো। যা বিক্রয় পেশার লোকদেরকে সাহায্য করবে আরো ও বেশি বিক্রয় করার জন্য। বইটিতে যে টেকনিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে তা কয়েক মাসের মধ্যে বা এক বছরের মধ্যে আপনার বিক্রয় এবং আপনার আয় ডাবল, ট্রিপল এমনকি চার গুণ অর্জন করতে শেখাবে। পাশাপাশি এই বইটিতে আন্তর্জাতিক সেরা সেলসম্যানদের সেরা টেকনিক গুলোে ও তুলে ধরা হয়েছে। সবকিছুর সমন্বয়ে বইটি বিক্রয় পেশাজীবীদের ক্যারিয়ারে দ্রুত পদোন্নতি ও সাফল্য নিয়ে আসবে; প্রতিষ্ঠানকে আরো বড় হতে সাহায্য করবে; উদ্যোক্তারা নতুন স্টার্টআপে বিক্রয় করতে পারবে নিশ্চিন্ত মনে এবং ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার বিক্রয় এর উন্নত ফলাফল নির্ধারণ করতে পারবে ইচ্ছা অনুযায়ী।বিক্রয় পেশার লোকদের মান উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রথম প্রয়াস “সেলস লিডারস ইন বিডি” এর একটি গবেষনা সমৃদ্ধ ফলাফল ” চ্যাম্পিয়ন ইন সেলসম্যানশীপ “
জব স্কিলস
জব স্কিলস
লেখক : নিয়াজ আহমেদ, সাদমান রহমান মৃদুল
প্রকাশনী : স্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয় : প্রফেশনাল ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন
“জব স্কিল” বইয়ের সংক্ষিপ্ত কথা: পৃথিবীতে ৯৮% সম্পদ ২% মানুষের কাছে আর ২% সম্পদ ৯৮% মানুষের কাছে আছে। এখন ২% মানুষ থেকে ৯৮% সম্পদ কেড়ে নিয়ে যদি ৯৮% গরিব ও মধ্যবিত্তদের ভিতর ডিস্ট্রিবিউট করে দেয়া হয়, তাহলে কেমন হবে? কিছুই হবে না, কারন ওই ২% মানুষ এক বছরের ভিতর আবার ৯৮ % সম্পদ নিজের কাছে ফিরিয়ে আনবেন। ৯৮% মানুষ তাদের সম্পদ হারাবে। কারন ২% মানুষ সেই চিন্তাটা করতে পারেন, স্বপ্ন দেখতে পারেন এবং ইমপিমেন্টেশনের মেকানিজমটা জানে। ৯৮% মানুষ জানেই না যে তারা কি চায় আসলে। এবং তাদের জব স্কিল নেই।
তুজুক-ই-তৈমুরী, সম্রাট তৈমুরের আত্মজীবনী (হিন্দুস্তান অভিযান)
“তুজুক-ই-তৈমুর” হল সম্রাট তৈমুর লংয়ের আত্মজীবনী, যা তার হিন্দুস্তান অভিযান ( ভারত অভিযান ) সহ তার জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে রচিত। এটি মূলত তৈমুরের নিজের জবানীতে লেখা একটি স্মৃতিকথা, যেখানে তার সামরিক কৌশল, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিবরণ পাওয়া যায়। এটি তৈমুরের নির্দেশে লেখা হয়েছিল এবং পরে ফার্সি ভাষায় অনূদিত হয়।
“তুজুক-ই-তৈমুরী” (Tuzuk-i-Timuri) তৈমুরের আত্মজীবনী, যা “মালফুজাত-ই-তৈমুরি” (Malfuzat-i-Timuri) নামেও পরিচিত। এটি তৈমুরের জীবনের ঘটনাপ্রবাহ এবং হিন্দুস্তান অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ সংবলিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল।
এই গ্রন্থে তৈমুর তার সামরিক অভিযান, রাজ্য জয়, যুদ্ধের পরিকল্পনা এবং ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে লিখেছেন। এর মাধ্যমে তৎকালীন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি তৈমুরের জীবনের একটি মূল্যবান দলিল, যা তার সাম্রাজ্য বিস্তার এবং ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে।
তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা
তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা
লেখক : মুহম্মদ আবদুল হাই
প্রকাশনী: ষ্টুডেন্ট ওয়েজ
বিষয়: রাজনীতি ও রাজনীতিবিদ বিষয়ক প্রবন্ধ
আজ থেকে আষট্টি বছর আগে ধ্বনি ও ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক মুহম্মদ আবদুল হাই (১৯১৯-১৯৬৯) ১৩৬৪’র ফাল্গুন-চৈত্র সংখ্যা ‘সমকাল’ পত্রিকায় ‘তোষামোদের ভাষা’ এবং একই পত্রিকার ১৩৬৫’র জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায় ‘রাজনীতির ভাষা’ শিরোনামে দুটি প্রবন্ধ লেখেন। প্রবন্ধ দুটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত তার ‘তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা’ গ্রন্থভুক্ত হয়। সেকাল এবং একালে রাজনীতির ভাষা ও সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের ধারা সন্ধান শনাক্ত করতে এই লেখা। অনেক দেশে রাজনীতি নিয়ে আলাপ-আলোচনার মধ্যেও রাজনীতির গন্ধ খোঁজার সংস্কৃতি আগেও যেমন ছিল বর্তমানেও তা আরও বড় করে বলবৎকরণের বড় বড় আইন বিদ্যমান আছে। সেসব দেশ ও সমাজে মুক্তবুদ্ধি চর্চা নানান ঘেরাটোপের মধ্যে আছে।
দীউয়ান-ই-হাফিজ
A world of inspiration for your home
Online store of tiles and plumbing. Buy online. Here and now!
I should be incapable of drawing a single stroke at the present moment; and yet I feel that I never was a greater artist than now.
Like these sweet mornings of spring which I enjoy with my whole heart.
When, while the lovely valley teems with vapour around me, and the meridian sun strikes the upper surface of the impenetrable foliage of my trees, and but a few stray gleams steal into the inner sanctuary, I throw myself down among the tall grass by the trickling stream.
A wonderful serenity has taken possession of my entire soul.
Authorities in our business will tell in no uncertain terms that Lorem Ipsum is that huge, huge no no to forswear forever. Not so fast, I'd say, there are some redeeming factors in favor of greeking text, as its use is merely the symptom of a worse problem to take into consideration.
Safe delivery, ensures the movement of goods in a short time.
You begin with a text, you sculpt information, you chisel away what's not needed, you come to the point, make things clear, add value, you're a content person, you like words. Design is no afterthought, far from it, but it comes in a deserved second. Anyway, you still use Lorem Ipsum and rightly so, as it will always have a place in the web workers toolbox, as things happen, not always the way you like it, not always in the preferred order. Even if your less into design and more into content strategy you may find some redeeming value with, wait for it, dummy copy, no less.